ইয়াবা তালেব শুদি শামশুর অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক জাতীয় পত্রিকা আইপি চ্যানেলগুলোতে নিউজ হওয়ার পরও প্রশাসনের টনক নড়ছে না। এলাকাবাসী এর কারণ ও জবাব চায়।

ইয়াবা তালেব শুদি শামশুর অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক জাতীয় পত্রিকা আইপি চ্যানেলগুলোতে নিউজ হওয়ার পরও প্রশাসনের টনক নড়ছে না। এলাকাবাসী এর কারণ ও জবাব চায়।

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২১-০৯-০৬ , ০৩:৪৬ পিএম

ইয়াবা তালেব শুদি শামশুর অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক জাতীয় পত্রিকা আইপি চ্যানেলগুলোতে নিউজ হওয়ার পরও প্রশাসনের টনক নড়ছে না। এলাকাবাসী এর কারণ ও জবাব চায়। বাঁশখালী কাথরিয়া

শুদি শামশুর অবৈধ কর্মকান্ডের মাদক কারবার বন্ধ করার জন্য যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সেই সওগতের পরিবার আজ শুদি শমশুর অত্যাচারে দিশেহারা। শামশু তার ভারা করা টেররদেরকে টাকা দিয়ে দিয়ে ভয়ভীতি প্রদান ও কালো কারবার করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। অথচ এক সময় লইট্রা মাছ বিক্রি করতো , এরপরে রিকশা চালাতো। এখন কিভাবে কোটি টাকার মালিক বনে গেল। প্রশাসন যেন এসব দেখেও দেখেনা। গোয়েন্দা সংস্থা দুদক নজর দিবেন কি? জাতীয় পত্রিকা আইপি চ্যানেলগুলোতে নিউজ হওয়ার পরও প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য ডাকাত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা মিলে গোল মিটিং করে। এবং জামাত-শিবিরের একসময়কার কেডাররা আজ অপকর্ম করে আইনের চোখ ফাঁকি দিতেই জলদি গিয়ে মানববন্ধনের ডাক দেয়। মানববন্ধন করলে কি ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পার পেয়ে যাবে? নিউজ কি বন্ধ হয়ে যাবে ? মানুষের চোখকে ফাঁকি দেওয়া যাবে। অবৈধ ব্যবসার কারণে আজ স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদের বিচার করবে কে? যারা বিচারক তাদের কে মেনেজ করতে যদি জনপ্রতি দৈনিক এক হাজার টাকা করে দেওয়া হয় তাহলে মাসিক বেতন ৩০হাজার টাকা। শমশুর ছেলে ফোরকান বাবা তথা ইয়াবার ব্যবসার লিডার। ছাত্রজীবনে ছাত্র শিবির করত মাদ্রাসায় বাইতুলমাল সম্পাদকের দায়িত্ব ছিল। এখন হয়ে গেলো ইয়াবার গডফাদার। শমশুর পরিবারের সবাই যেন মাদকের আখড়া গড়ে তুলেছে। ইয়াবা ফোরকান এর মা গাজার ব্যবসা করে। পুরো পরিবারই অবৈধ ব্যবসায় জড়িত। ওদের পরিবারের সাথে ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইয়াবা আবু তালেব, বলাৎকার মুন্সি সহ আরো কয়কজন । তাদের দৌড়াত্ব এতই খারাপ যে সাধারণ নারীদের কে তারা মিথ্যাচার ও মাদক কারবারিদের বাধা দেয়াই কাল হয়ে দাঁড়াল। তেমনই এক ভুক্তভোগী নারী নির্যাতন এর স্বীকার অসহায় নীলু আক্তার। এত কিছুর পরও নিলু আক্তর একাধিক বার বাশখালি থানায় জিডি করেছেন। যার নাম্বার ৩১/৮২০২০ ২ নং জিডি ১/৪/২০২১ এগুলোর কোনো রাখঢাক লক্ষ করা যায় নি। কিন্তু জিডি করেও রেহাই পাচ্ছেন না এই নারী। গত ৫ সেপ্টেম্বর একটা ডাকাত দল বাড়িতে এনে পরিদর্শন করায় শুদি শমশুর দল। দেখা গেল সেই দলে যোগ দিয়েছেন নতুন কিছু ডাকাত। সওগতের বাড়ি কোন দিকে, তাদের পরিবার কে কোথায় কখন কোন অবস্থাতেই থাকে তা দেখানো হচ্ছে।। ইয়াবা আবু তালেব প্রশাসনের নজর থেকে বাচার জন্য যুবলীগের নাম ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা করে। বাঁশখালীর যুবলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি। একজন খারাপ লোকের জন্য যুবলীগের দুর্নাম হতে পারে না।। এই ধরনের লোকের কারণেই যুবলীগের দুর্নাম হচ্ছে। তার সাধারণ সদস্য পদ বাতিল করার জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন। কিভাবে কিছুদিনের মধ্যেই যুবলীগের নাম ব্যবহার করে হয়ে গেলেন কোটিপতি। জানা যায়, প্রশাসনের সাথে কন্টাক করে মদের আড্ডা, জুয়া খেলা, ইয়াবা ব্যবসা, গাজার ব্যবসা সবকিছুর দায়িত্ব তার হাতে এখন। সুদি নুরুল ইসলাম সহ ইয়াবা ব্যবয়ায়ীদের সাথে কথিত সেই লোক দেখানো মানববন্ধনে যোগ দেন। তারা বলেছে সিটিজি ক্রাইম টিভি ভুয়া । বাংলাদেশ সরকারের নিবন্ধন ১৪১৪৫২/২০১৭ সিটিজি টিভির নিবন্ধন c173493/2021 কিন্তু একটা ব্লক পেইজে এই লেখাটি লিখেছেন। উক্ত প্রতিষ্টানের মালিক আজগর আলি মানিক বলেন, যারা এই প্রতিষ্টান গুলির সম্পর্কে জানেন না। অপঅপপ্রচার ও তথ্য বিকৃতির পায়তারা করে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে অতি শিগগিরই মামলা করা হবে। এবং ইয়াবা ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করে সরকার থেকে রেহাই পাবেন না। মনে রাখবেন আপনারা অবৈধ কর্মকান্ড করবেন আবার নিবন্ধন নাই বলে অপপ্রচার করবেন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কথা বলবেন এই ধরনের অপকর্ম কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লাগাতার নিউজ হবে। এমন ঘৃণ্য অপরাধ করেও অপরাধীরা আজ নির্ধিদ্বায় পার পেয়ে যাচ্ছে। এর মূলে রয়েছে বিচারহীন সংস্কৃতি। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব খাঁটিয়ে আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে সহজেই বেরিয়ে আসছে এদের মতো অপরাধীরা। শুদি শামশু ও ইয়াবা তালেব আপনাদের মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্য মূলক সাইনবোর্ড বিক্রি করার দিন শেষ। মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ুন। আল্লাহর কাজ করুন। ইয়াবা ব্যবসা করতে করতে জীবন তো শেষের দিকে যাচ্ছে। যুবলীগের নাম বিক্রি করতে করতে মুখেরও চরিত্রের অবশিষ্ট নেই। আর কত কিছু করবেন এলাকায়। ভালো হয়ে যান । অন্যথায় রাষ্ট্র, প্রশাসন আপনাদেরকে ছাড়বে না। অতি শিগগিরই RAB গোয়েন্দা সংস্থা আপনাদের কে খুজবে। হয়তো তখন চুনোপুটি না আপনাদের মতো আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যাওয়া রাঘোব বোয়ালরা তখন আর রেহাই পাবেন না।