চট্টগ্রামের সব থেকে বড় ক্রাইমজোন হলো বায়েজিদ থানা। ওই এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে অপুর নাম রয়েছে। আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির এর দল এর রাজনীতি করতো সে।

চট্টগ্রামের সব থেকে বড় ক্রাইমজোন হলো বায়েজিদ থানা। ওই এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে অপুর নাম রয়েছে। আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির এর দল এর রাজনীতি করতো সে।

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২১-০৯-০৯ , ০১:৩৬ পিএম

চট্টগ্রামের সব থেকে বড় ক্রাইমজোন হলো বায়েজিদ থানা।  ওই এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে অপুর নাম রয়েছে। আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির এর দল এর রাজনীতি করতো সে।

গত দুই বছর আগে এক ছাত্রলীগের নেতা ইলিয়াসকে৩২ টুকরা করে। ইলিয়াস অসহায়ের মত আদালতের কোর্ট প্রাঙ্গণে এবং থানায় গিয়ে বিচার পায়নি। ইলিয়াসের লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করার পরও চিকিৎসায় কোন প্রকারে বেঁচে আছে। তার জীবনটা নিয়ে কোনরকম জীবন যাপন করছে । তিনি সুস্থ ভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। ইলিয়াসকে ৩২ টুকরা করার মূল নায়ক হলো এই অপু। চট্টগ্রাম বায়জিদ এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীর লিডার অপুর নেতৃত্বে আ জ ম নাছির মেয়র থাকাকালীন ছাত্রলীগের নেতা ইলিয়াসকে ৩৫ টুকরা করেছিল। অপু এর সাথে রয়েছে আরো ১০ থেকে১৫ জন । এরা নেতৃত্ব দিচ্ছে কার ইঙ্গিতে? কিসের জোরে ? সেটা গোয়েন্দা সংস্থার দেখার বিষয়। কিন্তু ইলিয়াস কোন বিচার পাইনি । বড় নেতার টেলিফোনে বিচার বন্ধ হয়ে যায়।এই হল বাইজিদ থানা এলাকার অবস্থা। আজম নাছির মেয়র থাকাকালীন বাইজিদ এলাকায় যত অবৈধ কর্মকান্ড হত সবকিছু অপুর নেতৃত্বে হত। কয়েক দিন আগে তিনি অপহরণ নাটক সাজিয়ে বাইজিদ থানায় মামলা করেছেন। অপহরণের নাটক সাজিয়ে মুন্নাকে ফাঁসানো হচ্ছে। মুন্না একজন সহজ সরল ব্যক্তি এবং সে একজন সৎ সফল ব্যবসায়ী । তাকে কেন ফাঁসানো হচ্ছে? এর বিচার চেয়েছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিন এবং এলাকাবাসী। তাকে জড়নোর জন্য তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ জসিম বলেন, একজন নিরহ মানুষকে ফাঁসানোর পাঁয়তারা এবং যারা এগুলোর সাথে জড়িত তারাই ক্রাইম করে তারাই নাটক সাজাইছেন। ফোন করা হলে মুন্না বলেন, আমি ঐদিন এলাকায় ছিলাম না। তাদের সাথে কি হয়েছে সেটা আমি জানি। তাদের মধ্যে দন্দ থাকতে পারে। এছাড়াও আলমগীর টিপু সাবেক সভাপতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ বিভিন্ন হত্যার সাথে জড়িত বিশেষ করে দিয়াজ হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত। বায়জিদ থানায় ওয়ারেন্ট থাকা সত্বেও ব্যাংক ডাকাতি গার্মেন্টস কভার ব্যান্ড ডাকাতি সাথে জড়িত ।পাচলাইশ 3 নং ওয়ার্ডের সাইফুলের মার্কেট জোরপূর্বক দখল। যুবলীগ নেতা ইলিয়াসকে হত্যার পরিকল্পনা এবং সে এবং তার বাহিনী দিয়ে টেক্সি ড্রাইভার কফিল উদ্দিন কে হত্যার চেষ্টা। আলামিন গার্মেন্টস জেকে গার্মেন্টস গার্মেন্টস মদিনা গার্মেন্টস থেকে প্রতি মাসে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি। চাঁদা না দিলে গার্মেন্টসের কাভার্ড ভ্যান ডাকাতি করে গার্মেন্টস মালিকদের হত্যার হুমকি দেওয়াসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। প্রশাসনের পুলিশ দিবি ডিবি সিআইডি র্যাবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এদিকে মোসলেম উদ্দিন আহমদ এমপি অনুসারীদের মধ্যে আধিপত্য ও চাঁদাবাজির ঘটনায় গত শনিবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেলাল উদ্দিন মুন্নার নেতৃত্বে এলাকায় মাদক ও ইয়াবা বিরোধী সমাবেশের আয়োজন করলে এতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ।তবে আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারীদের দাবি সমাবেশের নামে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নামে এবং সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের কটুক্তিমূলক কথা বলেছে ।তাদের সমাবেশে কেউ হামলাও করেনি। নিজেরা অপরাধ করে মামলা হওয়ার পর নিজেরা বাঁচতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এসমস্ত অবৈধ কর্মকান্ড করার পরও অপু কে বাঁচানোর জন্য তারা ফোন দিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে তাকে রক্ষা করত। আস্তে আস্তে তিনি যুক্ত হয়ে গেলেন বড় ক্রাইম জোনে। এখনো সন্ত্রাসীরা মহড়া দিচ্ছে মোটরসাইকেলে। প্রতিনিয়ত রাস্তায় মহড়া দিচ্ছে বাইক নিয়ে। এভাবে মহড়া দিয়ে দিয়ে মানুষকে জিম্মি করে অপহরণ চাঁদাবাজি জমি দখল করে থাকে। এসকল সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দাপটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। এতে জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ কারণে ওই এলাকায় সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে নষ্ট হচ্ছে। তাই অবিলম্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের আতঙ্ক দূর করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।