যমুনা টিভিতে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে লেদুর তৃতীয় স্ত্রী মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক।

যমুনা টিভিতে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে লেদুর তৃতীয় স্ত্রী মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক।

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২১-০৯-১২ , ১১:২৪ পিএম

যমুনা টিভিতে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে লেদুর তৃতীয় স্ত্রী মিথ্যা অপপ্রচার করায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক।

 বাংলাদেশ আইপিটিভির সূচনালগ্ন থেকে সিটিজি ক্রাইম টিভি ও সিটিজি ক্রাইম নিউজ দীর্ঘ ১৭ বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠিত। এই প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অবৈধ ব্যবসায়ী ক্ষুত চট্টগ্রামের কুখ্যাত রাজাকার আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহারকারী এই লেদু গুন্ডা এবং তার তৃতীয় স্ত্রী লাকি আক্তার সম্মিলিত ভাবে আজগর আলি মানিক এর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ করে যুমনা টিভিতে। জানা যায়, প্রায় ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এরকম নিউজ করানো হয়েছিল। একজন পেশাদার সাংবাদিক এর কাজ এমন হয় না। এই রকম নিউজের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন। তারা মিথ্যাচার মূলক সংবাদ প্রচারে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এমন নিউজ কখনো একজন ভালো তথা প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকদের থেকে আসা করা যায় না। যারা পেশাদার সাংবাদিক,তারা কখনো এহেন কর্মকাণ্ড করে না। তাও আবার টাকার বিনিময়ে চুক্তির মাধ্যমে। একটা চ্যানেলের মালিক কিংবা কোনও ব্যাক্তির বিপক্ষে নিউজ করতে হলে তার বক্তব্যের প্রয়োজন। তার সত্যতার প্রয়োজন। যাচাই-বাছাই না করে নিউজ করা। এটা বোধগম্য নয়। এই ধরনের নোংরা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিভিন্ন সুধী সমাজ। যাকে বাঁচাতে যমুনা টিভির এই নিউজ সেই লেদুর ১৫ টি স্ত্রী রয়েছে । তার মধ্যে লাকি আকতার ৩ নং মধুকুণ্ডা তৃতীয় স্ত্রী। এই লাকি আক্তার চট্টগ্রাম কোর্টে প্রতারণামূলক ভুয়া মামলা করেন। তাঁর অবৈধ কর্মকান্ডের তথ্যচিত্র সংবাদ প্রকাশ করার পর- জনগণের মামলার থেকে রেহাই পেতে এবং সত্য উদঘাটন হবার উপক্রম হবার পরপর যমুনা টিভির সাংবাদিকদের সাথে কন্ট্রাক্ট করে দূই লক্ষ টাকার বিনিময় নিউজ করে। এই নিউজ কতটুকু যুক্তিযুক্ত আপনারাই বলুন। টাকার জোরে কি সব হয়? সিটিজি ক্রাইম টিভি একটা লিমিটেড প্রতিষ্ঠান। যার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ১৪১৪৫২/২০১৭। সরকারের পক্ষে নিউজ করার এক মাত্র প্রতিষ্ঠন এটি। অর্থের বিনিময়ে সত্যতা যাচাই বাছাই না করে এবং যার বা যাদের বিরুদ্ধে তথ্য উপাত্তহীন সংবাদ প্রকাশ করার জন্য কোনও রকম যোগাযোগ না করে খবর প্রচার করতে রাজি হয় সংবাদমাধ্যম এর কিছু হলুদ সাংবাদিক। তারা মিথ্যাচার করতেও কুন্ঠাবোধ করে না। কিছুদিন আগে অনলাইন ভিত্তিক আইপিটিভি সিটিজি ক্রাইম টিভির সংবাদে আরও কিছু অসাধু, অবৈধ কর্মকান্ডের ব্যবসার গডফাদার ও দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতাদের অপকর্মের ভিডিওচিত্র প্রকাশ করা হয়েছিল। বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করার পর অসাধু কালোবাজারী কুচক্রী ও সরকার তথা রাষ্ট্রের সম্মান মর্যাদা ম্লান করে দেয়া ওই দুষ্কৃতীকারীদের অপকর্মের ভিডিওগুলো সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল। এরপর সেই চক্র নিজেদের প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচার জন্য টাকার বিনিময়ে ফের কিছু ভুয়া তথ্য সম্বলিত ভিডিওচিত্র প্রকাশ করায়। মূলত, নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এবং সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়া শীর্ষ সংবাদ প্রচার বন্ধ করার জন্য কিছু অর্থ লোভী সংবাদকর্মীর সঙ্গে আতাত করে সংবাদ প্রচার করায়। এতে দেখা গেছে, সংবাদমাধ্যমের শীর্ষ কর্তারা টাকার বিনিময়ে এরকম নিউজ প্রচার করছে। যার কোনও সঠিক তথ্য উপাত্ত নেই। টাকা দিয়ে কি সাংবাদিকতা হয়? এ বিষয়ে সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান জনাব আজগর আলী মানিক বলেন, হলুদ সাংবাদিকতা পরিহার করে পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার অনুরোধ করছি। এই প্রতিষ্ঠন তিলে তিলে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান। যেমন তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে যা যা নিয়ম অনুযায়ী করা। সব নিয়ম অনুযায়ী করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন তিনি। এখন কিছু কুচক্রী মহল এই প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের লক্ষ নিয়ে পিছে লেগেছে। আমি অনুরোধ করব তাদের সাংবাদিকতায় যারা যমুনা টিভিতে নিউজ করেছেন। তারা প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতায় আসেন নাই। ধান্দাবাজি করার জন্য এসেছেন, চাঁদাবাজি করার জন্য এসেছেন। আপনারা কি টাকা ছাড়া নিউজ করেন? একজনের বক্তব্য না নিয়ে মিথ্যা নিউজ করা অমানবিক কাজ। এছাড়াও এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মানহানিকর। এই ধরনের মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্য মূলক সংবাদ প্রচার করায় কোটি কোটি টাকার সম্মান ও মানহানি সংগঠিত হয়েছে। হয়েছে ব্যবসায়ীক ক্ষতি। প্রয়োজনে অতি শীঘ্রই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন আজগর আলী মানিক।