নড়াইলে শালিসের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নও'মুসলিমকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসী জুয়েল রানা

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২২-০৪-১৯ , ১২:৩৪ এএম

নড়াইলে শালিসের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নও'মুসলিমকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসী জুয়েল রানা

সাথী তালুকদার ঘটনাস্থল থেকে ফিরেঃ নড়াইল  পৌর-সভার ২নং ওয়ার্ডের ভাটিয়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোঃ ইমাম হাসান রাজু৪০নামে এক নবমুসলিমকে হত্যা করেছে একই গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে জুয়েল রানা। 

আজ ১৮ এপ্রিল সোমবার বিকাল ৪টায় সময় নিহত ইমাম হাসানের বাড়ীর পাশে শালিসি বৈঠকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগকরেন,-নিহতের স্ত্রী ও মেয়ে।নিহত ইমাম হাসান রাজু ওই গ্রামের  হরিপদ বিশ্বাসের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা  যায়,দুপক্ষের মধ্যে গরু নিয়ে ঝগড়া বিবাদের সূত্র ধরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাক-বিতণ্ডার শুরু হলে জুয়েল রানা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নবমুসলিম ইমাম হাসান রাজুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারলে ঘটনাস্থলেই ইমাম হাসান এর মৃত্যু হয়।

এদিকে,নবমুসলিম নিহত ইমাম হাসান রাজু সনাতন ধর্ম হতে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন দির্ঘদিন,তারই ধারাবাহীকতায় হিন্দু সম্পদায়ের লোক হিসাবে বার বার নবমুসলিম নিহত ইমাম হাসান রাজুকে গোলাম রসুল ও তার সন্ত্রাসী ছেলে জুয়েল রানা দির্ঘদিন ধরে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।

তারই ধারাবাহীকতায় আজ স্থানীয় গ্রাম্য মাতব্বরদারা  শালিসি মিমাংশা করার সময় একই গ্রামের গোলাম  রসুল এর সন্ত্রাসী ছেলে জুয়েল রানা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে  ইমাম হাসানকে এলোপাতাড়ী ভাবে কুপিয়ে  সপরিবারের সামনে হত্যা করে। এঘটনার আগে জুয়েল রানা'র পক্ষ নিয়ে রাজুকে টেলিফোনে পিটুল মৃধা হুমকি দিয়ে তাকে বাড়িতে আসতে বলে জানায়! এরপর রাজু এলাকার দেলোয়ার'কে সাথে করে নিয়ে বাড়িতে আসে। এসময় বাড়িতে এলাকার বহু মানুষের উপস্থিতিতে এ হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত ইমাম হাসান ইসলাম ধর্ম গ্রহনের পর হতে দির্ঘদিন ধরে সকলের সাথে মিলে মিসে বসবাস করেন।সকলের সাথে সোভনীয় আচারনসহ ইসলাম ধর্ম সর্বদা পালন করে আসছেন বলেও জানা যায়। স্থানীয়দের থেকে।হত্যার খবর পেয়ে নড়াইল জেলা পুলিশের ডিবি টিম ঘটনাস্থলে এসে ইমাম হাসান রাজুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে,নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

ঘটনাস্থলে রাতে পুলিশ সুপার প্রবির কুমার রায় পরিদর্ন করেন।স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী কেন নড়াইলে অল্প সময়ের মধ্যে দুই দুইটা মার্ডার হলো,এর জন্য কে দায়ী বলেও জানান। এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শওকত কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।  এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে,বর্তমান পরিস্থিতি এখন শান্ত,হত্যার সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত হত্যাকারীকে দ্রুত আটক করতে অভিযান চলমান রয়েছে।