সাপাহার সীমান্তে বিএসএফ’র হাতে বাংলাদেশী গরুব্যবসায়ীর রাখাল আটক

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২২-০৪-১৯ , ০৫:৩২ পিএম

সাপাহার সীমান্তে বিএসএফ’র হাতে বাংলাদেশী গরুব্যবসায়ীর রাখাল আটক

আব্দল হালিম সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে সাহাবুদ্দীন (৩০) নামের এক বাংলাদেশী গরুর রাখালকে আটক করেছে ভারতীয় বিএসএফ। গত সোমবার দিবাগত রাতে ওই রাখালকে আটক করে ভারতের সনঘাট বিএসএফ ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা। বিএসএফ’র হাতে আটক বাংলাদেশী রাখাল সাহাবুদ্দীন সাপাহার উপজেলার সীমান্তবর্তী পূর্ব কলমুডাঙ্গা গ্রামের মৃত মাজেদ মেম্বারের ছেলে।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিএসএফ’র হতে আটক সাহাবুদ্দীন এর মা’ মমেদা বেওয়া ও তার স্ত্রী শাহনাজ পারভীন এর নিকট থেকে জানা যায় যে, তার ছেলে ঢাকা শহরে কাজ করত কয়েক দিন হলো সে বাসায় এসেছে। ঘটনার দিন বিকেল বেলায় একই গ্রামের উকিল মন্ডলের ছেলে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ী সাহাবুর ও মাহাবুর সাহাবুদ্দীনকে তাদের রাখাল হিসেবে ডেকে নেয় এবং আরোও তাদের সাঙ্গ পাঙ্গদের সাথে নিয়ে রাতের অন্ধকারে গরু আনতে তারা ভারত অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এসময় ভারতের সনঘাট বিএসএফ ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের পিছু ধাওয়া করে রাখাল সাহাবুদ্দীনকে আটক করে। অন্যান্যরা পালিয়ে এসে রাতেই সাহাবুর ও মাহাবুর সাহাবুদ্দীন এর মা ও স্ত্রীকে সংবাদ দেয় যে, সনঘাট বিএসএফ সাহাবুদ্দীনকে আটক করেছে। সংবাদ পেয়ে সাহাবুদ্দীন এর মা ও স্ত্রী বাড়ীতে কান্নকাটি শুরু করে। সংবাদ পেয়ে স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সকালে তাদের বাড়ীত এসে খোঁজ খবর নিয়ে চলে যায় বলেও আটক সহাবুদ্দীন এর মা ও গ্রামের লোকজন জানান। 
এর পর ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় কলমুডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে ক্যাম্প কমান্ডার এমদাদ হোসেন এর সাথে কথা হলে সম্পুর্ণ ঘটনা তিনি অস্বিকার করে বলেন যে, লোক মুখে আমরাও এ রকম সংবাদ শুনেছি তবে এখন পর্যন্ত আমাদের নিকট কেউ কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। আর অভিযোগ না পেলে আমরা কিসের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখব বলে জানিয়ছেন। নিখোঁজ সাহাবুদ্দীন এর বাড়ীতে বিজিবি সদস্য যাওয়ার ব্যপারে কথা হলে ক্যাম্পকমান্ডর এমদাদ হোসেন বলেন যে, আমাদের অনেক গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন আছে হয়তো তারা গিয়েছিল আমাদের ক্যাম্প থেকে কোন সদস্য তাদের বাসায় যায়নিব বলেও জানান। 
এদিকে সংসারের একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ায় সাহাবুদ্দীন এর অসহায় মা মমেদা বেওয়া এবং তার স্ত্রী দারুন দু:চিন্তায় পড়েছে।