কনস্টেবল থেকে এসআই হওয়ার কারণে মামলার প্রতিবেদন জানেনা।এই কারণে মামলার মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন পল্টন থানার এসআই মোঃ বোরহান মিয়া।

কনস্টেবল থেকে এসআই হওয়ার কারণে মামলার প্রতিবেদন জানেনা।এই কারণে মামলার মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন পল্টন থানার এসআই মোঃ বোরহান মিয়া।

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২১-০৯-১৬ , ১১:৩৭ পিএম

কনস্টেবল থেকে এসআই হওয়ার কারণে মামলার প্রতিবেদন জানেনা।এই কারণে মামলার মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন পল্টন থানার এসআই মোঃ বোরহান মিয়া। ঢাকা

 

নিউজ ডেক্সঃ

রাজধানী ঢাকা কাকরাইল মোড় এলাকায় গত ২০১৯ সালে সন্তাসীদের হামলার শিকার হন সাংবাদিক নেতা ও সিটিজি ক্রাইম নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক আজগর আলি মানিক। এর পর মামলা হয় পল্টন থানায় । মামলা হওয়ার পর ২ বছর পর কোনো আসামী কে ধরতে পারে নাই পুলিশ প্রশাসন। জানা গেল, এর পর টাকা খেয়ে আসামীদের পক্ষে প্রতিবেদন দিয়ে দিলো এসআই মোহাম্মাদ বোরহান। এই বোরহান কে কিছু ঘুষ দেওয়া হয়, এক পর্যায়ে আমি বাদী হওয়া সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য টাকা দাবী করেন। এজন্য কোনো রশিদ বা বৈধ কাগজও দেওয়া হয় না। তারপরও মোটা অংকের টাকা দিতে পারি নাই বলে আমার বিপক্ষে প্রতিবেদন দেয় এসআই মোঃ বোরহান মিয়া। আসামীদের থেকে লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়ে গেলেন এই পুলিশ অফিসার মোঃ বোরহান মিয়া। এসআই বোরহান কনস্টেবল থেকে এসআই হবার কারণে তিনি মামলা সম্পর্কে বুঝতে পারে না। তার মামলার অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে ধারণা কম। আরো প্রশিক্ষণ করতে হবে বলে মনে করেন এই সাংবাদিক নেতা। তিনি কি দেখেন নাই মেডিকেল ভর্তি ছিলো বাদী এবং পুলিশ কেইস সীল ছিলো এবং রক্তমাখা কাপড় ছিলো। মেডিকেল সার্টিফিকেট ছিলো ।তারপরও কেমন করে সন্ত্রাসীদেরে পক্ষে প্রতিবেদন দিলো? টাকা দিলে কী সব কিছু সম্ভব ? আমি অনুরোধ করবো মাননীয় আইজিপি স্যার আপনি এই সমস্ত ঘুষখোর বোরহানের মত অফিসারদের কে খুজে বের করুন। এবং টাকা নিয়ে নিয়ে শত শত জনগনের ক্ষতি করতেছে। আজকে আমার মত একজন সাংবাদিকের ক্ষতি করলো কাল যে আরেকজনের ক্ষতি করবে না এমন তো না। ওসি প্রদিপের মত অবস্থা, এই এসআই বোরহানের। টাকা পেলে কি মিথ্যা প্রতিবেদন দিতে হবে? আমি সব ডকুমেন্ট গুলো দেওয়ার পরও কেনো আমার সত্যি মামলা কে মিথ্যা বলে প্রতিবেদন দিলো? একজন ভালো অফিসারের কাজ হচ্ছে সঠিক প্রতিবেদন দেওয়া- মাননীয় আইজিপি মহোদয় বরাবরে অভিযোগ দিতে হলো। এইটার কী বিচার পাবো না? যখন হামলা হয়েছিল তখন ২জন অফিসারের নেতৃত্বে টিম গঠন করেছিল।তদন্ত হওয়ার পরেও মামলা হয়েছিলো সেই থানায়, আবার ২বছর পর মামলা মিথ্যা হয়ে যায়,তাহলে ঐ ততন্ত টিম কী কাজ করেছিল,এরকম হামলা হওয়ার আশঙ্কায় পল্টন থানায় ৪টি জিডি করা হয়েছিল। পল্টন থানায় মামলাটি এজাহার হয়েছিল । কিন্তু দুই বছর যাবত আসামিকে গ্রেফতার করে নাই। দুই বছর পর তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে তাদের পক্ষে প্রতিবেদন দিয়ে দেয় এসআই বোরহান মিয়া। ওই আসামিরা খালাস পেয়ে যায় এবং টাকার ক্ষমতাই যথারীতি সবকিছু হয় ।মেডিকেল সার্টিফিকেট আছে পুলিশ কেইস আছে এবং মেডিকেল ট্রিটমেন্ট ডকুমেন্ট যাবতীয় প্রমাণপত্র ও রক্তমাখা পোশাক ও স্থির চিত্র রয়েছে। এতগুলো ডকুমেন্ট থাকার পরও একজন এসআই হয়ে কিভাবে মিথ্যা প্রতিবেদন দিল? কনস্টেবল থেকে এসআই হওয়ার কারণে তিনি মামলার কিছুই বোঝেন না ।তাকে আরও দক্ষ ভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নিকট অনুরোধ। এই সমস্ত অসৎ পুলিশ অফিসারদের কে দক্ষতার সাথে ট্রেনিং দিয়ে দেশ ও জনগণের খেদমত করার জন্য সুযোগ করে দিন। এধরনের অসৎ পুলিশ অফিসারদের কে দেশের ও জনগণের প্রতি দায়িত্ব বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক।কনস্টেবল থেকে এসআই পদে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তিনি বোঝেন না মামলার অভিযোগপত্র তদন্ত বিষয়ে নেই কোনো জ্ঞান। তাই ভুলভাল অবুঝের মতো এ ধরনের প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। তাছাড়া টাকার বিনিময়ে যদি আসামিদের সাথে আঁতাত করে মামলার প্রতিবেদন দেয় তাহলে এ জাতি ধ্বংসের পথে যেতে আর বেশি দেরি নেই। কনস্টেবল থেকে যদি বিনা ট্রেনিং এ যদি এসআই না হতো তাহলে সে এরকম প্রতিবেদন দিতে পারত না । পুলিশ প্রতিবেদন দেয় যে এ রকম কোনও ঘটনাই ঘটে নাই। ফলে এখনো তারা বহালতবিয়তে রয়েছেন। কি অদ্ভুত সব অপকর্ম করার পরও প্রশাসনের যেন টনক নড়ে না। প্রশাসনের উদ্দেশ্যে আবারো বলতে হয় যে মাননীয় আইজিপি মহোদয়, আপনি কোন নির্দিষ্ট অভিযোগের ক্ষেত্রে এই সমস্ত পুলিশ অফিসারদের কে বিচারের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ করছি। আর কনস্টেবল থেকে যারা এসআই হয়েছে তাদেরকে দক্ষতার সাথে ট্রেনিং এর মাধ্যমে সরকার ও জনগণের খেদমতে নিযুক্ত করার ব্যবস্থা করা অতীব জরুরী। টাকার বিনিময়ে আসামি ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা নতুন না। আবার টাকার বিনিময়ে মামলার অভিযোগ তদন্ত করার পরও, সত্যতার শতভাগ প্রমাণপত্র থাকা সত্বেও আসামীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে মিথ্যাচার মূলক প্রতিবেদন দেয়ার ইতিহাসও বিরল নয়। আর এ সকল কার্যক্রম বন্ধ না হলে কেউ কোন ভুক্তভোগী আর প্রশাসনের উপর আস্থা রাখতে পারবে না। পুলিশ প্রশাসন আস্থা সংকটে পতিত হবে। উপরোক্ত ঘটনার সঠিক অনুসন্ধান ও তদন্ত পূর্বক অপরাধীদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাই মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নিকট।