কয়রায় ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক গণসচেতনতামূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত

 ডেক্স রিপোর্টঃ
আপডেট: ২০২২-০৫-২২ , ১১:০৯ পিএম

কয়রায় ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক গণসচেতনতামূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত

গাজী নজরুল ইসলাম, খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খুলনার কয়রা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি সিপিপি কর্তৃক আয়োজিত আমাদী ইউনিয়নের চান্নিরচক এল সি কলেজিয়েট স্কুল মাঠে ২১ মে ২০২২, শনিবার, বিকাল ৪ ঘটিকায়, ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক গণসচেতনতামূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা সিপিপি টিম লিডার, জি এম আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু সাবেক চেয়ারম্যান, মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন আমাদী ইউনিয়ন সিপিপি টিম লিডার মোঃ ফারুক হোসেন, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা সিপিপি টিম লিডার আব্দুল্লাহ আল মামুন। সহকারী পরিচালক মামুন রশিদ ও নূর মোহাম্মদ এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন আমাদী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের সিপিপি টিম লিডার, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক বৃন্দ। উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথিদের মূল্যবান বক্তব্য কয়রায় বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের বর্ণনা দিয়ে বলেন। সাগর, নদী আর সুন্দরবন পরিবেষ্টির এ অঞ্চল। বিশেষ করে সমুদ্র উপকুলবর্তী হওয়ায় এ অঞ্চল ঝড়, প্লাবন, খরা, দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে বারংবার পতিত হয়। সুদূর অতীত কাল থেকে এ সমস্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে আসছে কয়রা বাসী, সাগর উপকুলে অবস্থিত নদী- নালার এ অঞ্চল। এর উপর ঝড় ও সামদ্রিক প্লাবনের প্রকোপ অত্যন্ত বেশী। এ সব প্রকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে বার বার ক্ষয় -ক্ষতি হয়েছে অপরিসীম । লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী সহ বন্য ও গৃহপালিত পশু -পক্ষীর প্রাণহানী ঘটেছে ব্যাপক । এ ছাড়া ঘর বাড়ি গাছ পালা ও ফসলের ক্ষতি সাধন হয়েছে অপরিসীম। আর দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি হিসাবে, উপকুল এলাকায় ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক গণসচেতনতামূলকু মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে , সে জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন। আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল বলেন, এ ধরনের আনুষ্ঠান বেশি বেশি করে গণসচেতনতা বড়াতে হবে। ফলে ক্ষয় ক্ষতির পরিমান অনকে হারে কমবে বলে মনে করেন, আনুষ্টান শেষে সকল শিল্পী, কলাকুশলী ও স্বেচ্ছাসেবকদের পুরস্কৃত করা হয়।