যমুনা টিভির আইপিটিভি অনুমোদন নাই। আবার তারাই আইপিটিভি কে নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন করে।

যমুনা টিভির আইপিটিভি অনুমোদন নাই। আবার তারাই আইপিটিভি কে নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন করে।

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২১-০৯-১৭ , ১১:৫৩ পিএম

যমুনা টিভির আইপিটিভি অনুমোদন নাই। আবার তারাই আইপিটিভি কে নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন করে।

যমুনা টিভির আইপিটিভি অনুমোদন নাই। আবার তারাই আইপিটিভি কে নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন করে। আবার বিভিন্ন চ্যানেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে। এই হচ্ছে যমুনা টিভির নীতি-আদর্শ। বাংলাদেশের যত আইপি টিভি চ্যানেল আছে, সবগুলো বাংলাদেশ সরকারের নীতি আদর্শ অনুযায়ী এবং যেগুলো কাগজপত্র ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার দরকার আছে, মন্ত্রণালয় এ জমা দিয়ে সুন্দরভাবে পরিচালনা করে আসছে। এগুলো লিমিটেড প্রতিষ্ঠান। এগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন খারাপ মন্তব্য করে আসছে এই যমুনায়। এদেরকে দেখে রাখুন। চিনতে পারছেন? সব ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এক হয়ে আইপি টিভির বিরুদ্ধে আপপ্রচারে লিপ্ত। কন্টাক করে যদি আইপি টিভি গুলো শেষ করা যায়, তাহলে তারা শান্তি পাবে। তাদের যৌথ অপকর্ম ঢাকার বিশেষ হাতিয়ার তারা যেন হাতের মুঠোয় পেয়ে গেছে। মিথ্যাচার ও প্রলাব বকে সত্য কখনও চাপা থাকে না। মাদকের অবৈধ কর্মকান্ডের ব্যবসার অন্তরালে সাধু চর্চার জন্য নিজেদের অপরাধ অপকর্ম প্রশাসনের কাছে লুকিয়ে রাখার প্রয়াস যতই থাকুক। আইনের উর্ধে কেউ নয়। বিচারের আওতাধীন একদিন তাদের হতেই হবে। এসকল অপপ্রচার ও মিথ্যাচার এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন আইপি টিভি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশে সকল আইপি টিভি গুলোর মালিক বৃন্দ। দীর্ঘদিন যাবত সিটিজি ক্রাইম টিভির সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য ফেসবুক পেইজ এবং ভুয়া গ্রুপ খুলে উদ্যেশ্যে প্রণেদিতভাবে মিথ্যা এবং বানোয়াট তথ্য দিয়ে চ্যানেল এর সম্মানহানীসহ মানুষকে ব্ল্যাকমেইলিং ও বিভিন্ন হয়রানির চেষ্টা চালাচ্ছে কুচক্রী মহল, একটি মহল নিজেদের অপরাধ অপকর্ম প্রশাসনের চোখে ধুলো দিতে স্যাটেলাইট চ্যানেলের মফস্বল সাংবাদিক হাত করে নিউজের নামে ফায়দা লুটার ফন্দি এটেছে। সাথে হাতিয়ে নিচ্ছে অনৈতিক সুবিধা ও মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ। উদ্যেশ্যে প্রণেদিতভাবে মিথ্যা তথ্য এবং নানান বানোয়াট তথ্য এখনো অসুস্থ মিডিয়ার খাদ্য হিসেবে পাওয়া যাওয়ায় উদ্বিগ্ন আইপিটিভি চ্যানেলগুলোর কর্তৃপক্ষ।