সিটিজি ক্রাইম নিউজ ও সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলি মানিকের বিরুদ্ধে যমুনা টিভিতে কারা বক্তব্য দিচ্ছে? এরা কারা? আসল ঘটনা কি?

সিটিজি ক্রাইম নিউজ ও সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলি মানিকের বিরুদ্ধে যমুনা টিভিতে কারা বক্তব্য দিচ্ছে? এরা কারা? আসল ঘটনা কি?

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২১-০৯-১৮ , ০৬:৪৫ পিএম

সিটিজি ক্রাইম নিউজ ও সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলি মানিকের বিরুদ্ধে যমুনা টিভিতে কারা বক্তব্য দিচ্ছে? এরা কারা? আসল ঘটনা কি? বাঁশখালী

 

বিস্তারিত দেখুন ডেক্স রিপোটে।

আসুন প্রথমে জানা যাক, বিবি মরিয়ম নামের মেয়েটি কে? এ সম্পর্কে জানান আজগর আলি মানিক। তিনি বলেন, রাস্তা থেকে তুলে এনে পিয়নের চাকরি দিয়েছিলাম সিটিজি ক্রাইম নিউজে। আরেকজনের ব্যাপারে জানা যাক মাজেদুল ইসলাম,তাকে এক সময় অফিসে কম্পিউটার এর দায়িত্ব পালন করতেই চাকরি দেয়া হয়। এরা দুইজনের যৌথ চাকরিরত থাকার পর থেকে নানা অনিয়ম , অনৈতিক কর্মকান্ড করার কারণে তাদেরকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়।এর আগে বিবি মরিয়ম রাগুনিয়ার হেলাল নামে এক ব্যক্তির সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ে করে,তাকে ব্ল্যাকমেইল করে তার বাড়ি থেকে চলে আসে,আসার পর সিটিজি ক্রাইম নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশক আজগর আলি মানিক থাকে প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেয়।এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের সাথে ব্ল্যাকমেইল করে ৪টি চেক ২টি স্টাম্প চুরি করে।এরপর কম্পিউটার ম্যান মাজেদের সাথে আস্তে আস্তে গভীর সম্পর্ক হয় বিবি মরিয়মের, একপর্যায়ে মসজিদে গিয়ে কুরআন শপথ করে বলে আমি বাচ্চার মা-বিবি মরিয়ম কে কখনো বিয়ে করবনা,এই কথা বলে ক্ষমা চাইলেন আল্লাহ্র ঘর সাক্ষী রেখে আজগর আলী মানিকের কাছ থেকে,এর পর ওয়াদা শপদ ভঙ্গ করে মাজেদ হয়ে গেলেন মোবাইল চোরের গডফাদার,বিবি মরিয়ম হয়ে গেলেন প্রতারক,তারা ২জনের বিরুদ্ধে মামলা হয় থানায়,জিয়ার মামলা নং ৮/৮-২০১৯ আরেকটি ৫৩/৫-২০২০,আরেকটি মামলা হয় এটেম টু মাডার ১৩/৮-২০২০যা স্মারক নং ৯৯৯,আরেকটি মামলা হয় ১০/৮-২০২০।আরেকটি অভিযোগ দেওয়া হল র্যা ব বরাবর-চট্টগ্রাম যার আরফি নাম্বার ১৮/২৮তারিখ ১৫-০৯-২০২১। আরেকটি মামলা হয় বাঁশখালী চিপ-জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা নাম্বার ৩৮/২০২০আরেকটি মামলা নাম্বার ৬৩৭/২০২০। এরা ২জনে একটি ফেইসবুক টিভির চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান হয়ে একটি কসমেটিকস দোকান খুলে ঐখান থেকে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে মানুয়ের সাথে প্রতারণা ও ভিডিও বানিয়ে বাঁশখালীর নিলু আক্তারের ছবি মানহানিকর করায় চট্টগ্রাম র্যা ব অফিস বরাবর আইজিপি মহোদয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই বুয়া ফেসবুক পেইজ দেশযোগ টিভি নামে অপপ্রচার কারীদের বিরুধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই আদেশ না শুনে চটগ্রাম অক্সিজেন পাঠানপাড়া একটি কসমেটিক্স দোকান খুলে বসে ঐখান থেকে নিয়মিত এই বুয়া ফেইসবুক পেইজে মানুষের ছবি ব্যাবহার করে প্রতারণা করে থাকে। এরপরে হিংসার বশবর্তী হয়ে এবং ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ সম্পদ হারানোর ব্যবসা খুলে বসেন ফেইসবুক পেইজ দেশযোগ টিভি নামে। তাতে তারা বিভিন্ন অপপ্রচার করতে থাকে। এরপর হয়ে যান লেদুর সহযোগী। লেদুর কাছ থেকে চট্টগ্রাম অক্সিজেন এর চতুর্থ তলায় একটি ফ্ল্যাট নিয়েছিলেন। সে ফ্ল্যাটের মূল্য ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। আমার কাছে ষ্টাম্প রয়েছে তার সাথে চুক্তি হয়েছে। আস্তে আস্তে অফিস দখল করা শুরু করে তারা। ষ্টাম্প জালিয়াতি করা শুরু করেছে দুইজনে। এছাড়াও অফিস থেকে দুইটি চেক চুরি করেছে। এরপর হয়ে যান তাদের একটা সিন্ডিকেট। চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু কটূক্তিকারী নুরুল আবসার আনসারী দীর্ঘ দুই বছর কারাগরে থাকার পর আসে এবং তাদের সাথে সিন্ডিকেটের সাথে মিলিত হয়। এরপর ইয়াবা ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ এর বিরুদ্ধে নিউজ করা হয়। দেলোয়ার হোসেন আমার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেন। দেলোয়ার হোসেন হয়ে যান তাদের সিন্ডিকেটের একজন। চট্টগ্রামের ইয়াবার গডফাদার খোরশেদ আলম। একাধিকবার গ্রেপ্তার হওয়ার পরও খুটির জোর কোথায়? সত্য নিউজ হওয়ার পরে তিনিও তাদের সাথে যোগ দেন। এরপর বাঁশখালীর সন্ত্রাসী ইয়াবা গডফাদার যুবলীগের নাম ব্যবহারকারী আবু তালেব এর বিরুদ্ধে একাধিক নিউজ হওয়ার পরে আবু তালেব তাদের সাথে যোগ দেয়। বাঁশখালীর সুতি ও ইয়াবা শামশুর বিরুদ্ধে নিউজ হয়। তখন সুদি শামসু তাদের সাথে যুক্ত হয়। তারা লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে সিটিজি ক্রাইম নিউজ ধ্বংস করার পায়তারা চালাচ্ছে । কিন্তু অপরাধির বিরুদ্ধে নিউজ করার জন্য এবং সত্যি কলম ধরার জন্য এক মাত্র প্রতিষ্ঠান সিটিজি ক্রাইম নিউজ। আসলে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করলে এই ধরনের একজন মালিক বা একটা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই ধরনের নিউজ করতে পারে না। প্রতিহিংসামূলক ভাবে নিউজটা হয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকা কন্টাক করে আজগর আলী মানিক কে ধ্বংস করার পায়তারা চালাচ্ছেন। কিন্তু আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটি লিমিটেড প্রতিষ্ঠান। আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত । মানুষকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কারো ক্ষমতা নাই। এই মাজেদুল, বিবি মরিয়ম আমার কর্মচারী ছিল। টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে, চেক চুরি করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে বিক্রি হওয়া তাদের নিত্য দিনের কাজ। জনগণ এই লোকদেরকে চিনে রাখুন। প্রতিটা মানুষের সাথে দন্দ থাকতে পারে। আমার যারা শত্রু তাদের সাথে হাত করে, প্রতিহিংসামূলক নিউজ করা এটা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এর তালিকায় পড়ে না। ফেইসবুক পেইজ দেশযোগ টিভির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ, একাধিক মামলা রয়েছে। তা প্রমান সহ দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী অনেকেই। সে ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম এই দেশযোগ টিভির বিরুদ্ধেও সংবাদ প্রচার করা হয়েছিল। এ সকল ধূর্ত ও ধান্দাবাজ চক্রের মিথ্যাচার জনগণ আমলে নেবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলি মানিক।দ্বিতীয় পর্বে বিস্তারিত আসবে চোখ রাখুন সিটিজি ক্রাইম টিভির পর্দায়।