সন্দ্বীপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, নির্বাচনী সহিংসতার মারাত্মক আশঙ্কায় মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ ঝুঁকিপূর্ণ।

সন্দ্বীপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, নির্বাচনী সহিংসতার মারাত্মক আশঙ্কায় মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ ঝুঁকিপূর্ণ।

 নিউজ ডেক্স
আপডেট: ২০২১-০৯-১৯ , ০৬:৪৬ পিএম

সন্দ্বীপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, নির্বাচনী সহিংসতার মারাত্মক আশঙ্কায় মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ ঝুঁকিপূর্ণ।

২০সেপ্টেম্বর সন্দ্বীপে ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্ধারিত হওয়ার প্রথম দিকে পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও ১৬ সেপ্টেম্বরের পর থেকে মুছাপুর ইউনিয়নে মেম্বার প্রার্থীদের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে । গোপনসূত্রে জানা যায়, সন্দ্বীপ ও সন্দ্বীপের বাহির থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী ও সন্দ্বীপের র্র্যাব এর তালিকা ভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহেদ, রাশেদ, রুবেল সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওর্য়াড থেকে অসংখ্য অস্ত্র ধারী সন্ত্রাসী, মুছাপুর ইউনিয়নের ০১ নং ওর্য়াড থেকে তালা মার্কায় মেম্বার প্রার্থী ও আলোচিত সন্ত্রাসী, সন্দ্বীপ থানার মোস্ট ওয়ান্টেড আসামী আকরাম এর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে, মেম্বারপ্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।তবে অধিকতর আশঙ্কের তালিকায় রয়েছে মুছাপুর ইউনিয়ন। স্থানীয় এলাকা বাসীদের গোপন তথ্য অনুযায়ী, আকরাম মেম্বার প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগ কে বিতরর্কিত করার চেষ্টা করে, কারণ আকরাম বিগত ৫ বছর আগে থেকে মুছাপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন অস্ত্র, মাদকদ্রব্য, রাষ্ট্র ও সমাজ বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে। সন্দ্বীপ থানার পুলিশ তাকে ডাকাতি, অস্ত্র, ও মাদক মামলায় অনেকবার গ্রেপ্তার করেছে, আকরাম এলাকার মুরব্বিদের সাথে ও সব সময় খারাপ ব্যাবহার করতো, খারাপ ভাসায় গালিগালাজ করে। আমরা সাধারণ জনগণ অনেক ভোগান্তিতে বসবাস করি, জনমনে আমাদের একটা প্রশ্ন একজন সন্ত্রাসী, মাদক ব্যাবসায়ী কি ভাবে জন প্রতিনিধি হওয়ার সপ্ন দেখে, প্রশাসন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই আমরা ভোট দিয়ে আমাদের প্রতিনিধি তৈরি করবো। আমরা কোন সন্ত্রাসী কে জন প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় না। এরা রাষ্ট্র ও সমাজ বিরোধী কাজে লিপ্ত, এদের কোন পরিচয় নেই। এরা জন প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা কোথায় থেকে রাখে? কে দেয় এদের কে আশ্রায় ফশ্রায়? এদের পিছনে খুঁঠির জোর কারা? আমরা সন্দ্বীপের নেতৃবৃন্দ ও সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দ্রুত আকরাম, ও সাহেদ সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীদের গ্রেপ্তার করা হোক। ইউপি নির্বাচনে মোট ১১৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।